শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১:৫৭ pm

চ্যালেঞ্জের মুখে এরিন ও’টুল

চ্যালেঞ্জের মুখে এরিন ও’টুল

ভোট দিচ্ছেন এরিন ও’টুল ও তার স্ত্রী

কনজার্ভেটিভ পার্টির জাতীয় পরিষদের একজন সদস্য দলের নেতা এরিন ও’টুলের নেতৃত্ব পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর কনজার্ভেটিভ নেতার নেতৃত্ব নিয়ে এটাই প্রথম চ্যালেঞ্জ।

 

বার্ট চেন নামে ওই কনজার্ভেটিভ অন্টারিওর প্রতিনিধি। তিনি বলেন, তবে আমি কথা বলছি দলের একজন বাধ্য সদস্য হিসেবে এবং এরিন ও’টুল দলকে অধিক মধ্যপন্থায় নিয়ে যাওয়ায় আরও অনেকেই তার প্রতি অখুশী। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় যেভাবে তিনি দলের আস্থা অর্জন করেছিলেন এটা তার বিপরীত।

 

চেন বলেন, তার এ সিদ্ধান্তে যদি কনজার্ভেটিভ পার্টি সরকার গঠন করতো তাহলে আমার চেয়ে খুশী আর কেউ হতো না এবং প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে তার প্রতিই আমার সমর্থন থাকতো।

 

২০২৩ সালে নির্ধারিত সময়ের আগেই দলের জাতীয় পরিষদ যাতে এরনি ও’টুলের নেতৃত্ব নিয়ে একটি গণভোটের আয়োজন করে সেজন্য অনলাইনে সদস্যদের স্বাক্ষর সংগ্রহে নেমে পড়েছেন চেন। তিনি বলেন, অন্য কাউন্সিলররাও প্রদেশে আমরা যেসব সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করি তাদের মতামত শুনছেন এবং এর দায়ভার ও’টুলের নেওয়া উচিত।

 

এখন পর্যন্ত অনলাইন পিটিশনটিতে ৬০০ জন স্বাক্ষর করেছেন। এ ব্যাপারে মন্তব্য চাইলে ও’টুলের কার্যালয় থেকে দলের প্রেসিডেন্টের কাছে যেতে বলা হয়। কনজার্ভেটিভ পার্টির প্রেসিডেন্ট রব বেথারসন এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, সদস্যদের বক্তব্য রাখার জন্য কানাডার কনজার্ভেটিভ পার্টির পরিস্কার প্রক্রিয়া রয়েছে। নির্বাচনের পর প্রথম সম্মেলনে নেতা নির্বাচনের প্রয়োজন পড়লে ভোটের কথা আমাদের সংবিধানেই বলে দেওয়া আছে। অনলাইন পিটিশনের সময় নেই।

 

গ্রেটার টরন্টো এরিয়া, মেট্রো ভ্যানকুভার ও কুইবেকে কনজার্ভেটিভ পার্টি প্রয়োজনের তুলনায় যে খারাপ করেছে সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন এরিন ও’টুল। সেই সঙ্গে এক্ষেত্রে কি ভুল ছিল তা পর্যালোচনারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Comments