শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২:০৯ pm

ব্যাংকিং খাতের পক্ষে সাফাই সিআইবিসির প্রধান নির্বাহীর

ব্যাংকিং খাতের পক্ষে সাফাই সিআইবিসির প্রধান নির্বাহীর

সিআইবিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভিক্টর ডডিগ খাতটির পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন

লিবারেল নেতা জাস্টিন ট্রুডো ব্যাংকিং খাতের কর হার বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর দিন খাতটির পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন সিআইবিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভিক্টর ডডিগ। বৃহস্পতিবার ব্যাংকের প্রান্তিক আয় নিয়ে আলোচনাকালে তিনি বলেন, ব্যাংক সব সময়ই লক্ষ্যবস্তুতে থাকে। কিন্তু আপনারা যেটা চান তা হলো স্বাস্থ্যকর ব্যাংকিং ব্যবস্থা। স্বাস্থ্যকর ব্যাংকিং ব্যবস্থা অর্থনীতিকে বড় হতে সহায়তা করে।

বিশেষ কোনো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি ডডিগ। তবে মহামারির শুরুর দিকে প্রণোদনা তহবিল বিতরণ ও ঋণের সুদ আদায় বন্ধ রাখার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের স্মরণ করিয়ে দেন। ডিভিডেন্ড ও ব্যাংকিং খাতের প্রবৃদ্ধির সুফল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অধিকাংশ কানাডিয়ান পেয়েছেন বলেও জানান তিনি। তার কথায়, সরকারের নীতি বিদেশি বিনিয়োগকে যাতে নিরুৎসাহিত না করে সেটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ডডিগ।

তিনি বলেন, আমার প্রত্যাশা থাকবে নির্দিষ্ট কোনো খাতে আপনারা হস্তক্ষেপ করবেন না। কারণ, বাস্তবিকপক্ষে তা বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে না। আমাদের পুঁজি দরকার। সেই সঙ্গে দরকার মানুষ, যারা কানাডায় এসে আমাদের দেশকে আরও শক্তিশালী, আরও উন্নত করবে।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বুধবারের প্রচারণায় ১০০ কোটি ডলারের বেশি আয় এমন ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির করপোরেট কর হার বাড়ানোর প্রস্তাব করেন। তার ভাষায়, সরকারের অর্থনৈতিক প্রণোদনা পদক্ষেপের ফলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিপুল অংকের মুনাফা করেছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো তাদের বিপুল অংকের মুনাফার তথ্য প্রকাশ করতে যাচ্ছে। আমরা যেহেতু পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলবো আমাদেরকে কিছু পরিশোধ করতে।

সিআইবিসি ৩১ জুলাই সমাপ্ত প্রান্তিকে ১৭৩ কোটি ডলার বা শেয়ারপ্রতি ৩ দশমিক ৭৬ ডলার মুনাফা করেছে। গত বছরের একই প্রান্তিকে ব্যাংকটির মুনাফা হয়েছিল যেখানে ১১৭ কোটি ডলার বা শেয়ারপ্রতি ২ দশমিক ৫৫ ডলার।

তৃতীয় প্রান্তিকে কানাডায় সিআইবিসির পার্সোনাল ও বিজনেস ব্যাংকিং আয় করেছে ৬৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এক বছর আগের একই সময়ে যেখানে আয় করেছিল ৪৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অপেক্ষাকৃত কম সঞ্চিতি সংরক্ষণ ও উচ্চ রাজস্ব, সেই সঙ্গে ব্যয় হ্রাসের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।

এছাড়া তৃতীয় প্রান্তিকে পুঁজিবাজার থেকে সিআইবিসির নিট আয় হয়েছে ৪৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই প্রান্তিকে যেখানে এর পরিমাণ ছিল ৪৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। 

 

 

 

 

 

 

Comments