শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭:২৫ pm

জাস্টসি আবু সাঈদ চৌধুরীকে নয়িে লখো উপন্যাস ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’

জাস্টসি আবু সাঈদ চৌধুরীকে নয়িে লখো উপন্যাস ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’

মুক্তযিুদ্ধ চলাকালীন সময় প্রাচ্যরে অক্সর্ফোড নামে খ্যাত, ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়রে ভাইস চ্যান্সলের ছলিনে জাস্টসি আবু সাঈদ চৌধুরী। বঁেচে থাকলে ২০২১ সালরে ৩১ জানুয়ারি তনিি একশো বছরে পা দতিনে। তাঁর এই শততম জন্ম র্বাষকিীতে প্রকাশতি হতে যাচ্ছ,ে ইতহিাস ভত্তিকি একটি উপন্যাস ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’। লখিছেনে কানাডা প্রবাসী লখেক আকতার হোসনে। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে আগামী ১৮ র্মাচ -১৪ এপ্রলি, ২০২১ এ অনুষ্ঠতিব্য বইমলোয় এই বইটি প্রকাশ করবে ঢাকার ‘নন্দতিা প্রকাশ’। আশা করা যাচ্ছে বইটরি ইংরজেি অনুবাদও একই সময় পাওয়া যাব।ে
বাংলাদশেরে মুক্তযিুদ্ধ চলাকালীন সময় প্রবাসী মুজবিনগর সরকার, বচিারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বহর্বিশ্বি ও জাতসিংঘে বাংলাদশেরে কূটনতৈকি মশিনরে বশিষে প্রতনিধিি হসিবেে নয়িোগ দয়িছেলি। বাংলাদশে সরকাররে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতরি র্কাযালয় থকেে জারকিৃত ২১ এপ্রলি, ১৯৭১ সালে তাঁর নয়িোগপত্রে স্বাক্ষর করছেলিনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপত,ি সয়ৈদ নজরুল ইসলাম। এই নয়িোগ প্রাপ্তরি অনকে আগরে থকেইে তনিি প্রবাসী বাঙালদিরে সংগঠতি করে জনমত সৃষ্টরি কাজে নয়িোজতি ছলিনে। ২৭ র্মাচ ১৯৭১  ব্রটিশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়রে র্ঊধ্বতন দুই র্কমর্কতার সাথে সাক্ষাত করার মধ্যে দয়িে তাঁর র্কাযকরী পরকিল্পনা শুরু হয়। মস্টিার প্রসেডিন্টে বইটতিে আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রথম দনিরে র্কমকাণ্ড দয়িে শুরু করে জীবনরে শষে দনিটি র্পযন্ত ধরে রাখার চষ্টো করা হয়ছে।ে
১০ জানুয়ারি ১৯৭২ তারখিে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফরিে এলে বাংলাদশেরে দ্বতিীয় এবং তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হয়ছেলিনে আবু সাঈদ চৌধুরী এবং তনিইি বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর শপথ-বাক্য পাঠ করয়িছেলিনে। আবু সাঈদ চৌধুরীকে এত বড় সম্মান দওেয়ার কারণ হলো মুক্তযিুদ্ধরে নয় মাস তাঁর গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যময় র্কমকাণ্ড। অথচ আমাদরে জানবার কৌতূহলরে অভাবে ইতহিাসরে অতল অন্ধকারে হারয়িে গছেে এই মহান বীররে নাম।
প্রবাসী বাঙালরিা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে আজ থকেে পঞ্চাশ বছর আগে যে ত্যাগ স্বীকার করছেলি বশ্বি ইতহিাসে তা র্দুলভ ঘটনা। ছাপ্পান্ন হাজার র্বগমাইল সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থকেে বাংলাদশে তখন বপিুল বস্তিার ঘটয়িে পৃথবিীতে ছড়য়িে পরছেলি। এত বড় দশে আগে দখেনেি বশ্বি। এত র্কমচঞ্চল হয় নি কোন দশেরে মানুষ যা, ১৯৭১ সালে প্রবাসী বাঙালরিা করে দখেয়িছেলি। ব্রটিশি কংিবা পাকস্তিান আমলে যাদরে বীরগাথা পাঠ্য বইতে পড়ানো হতো তাদরে কউেই বাঙালি ছলি না। আলকেজান্ডার দি গ্রটে, মোঘল বাদশাহ, সোহরাব রসতুম, সুলতানা রাজয়িা এদরে গল্প শুনতে শুনতে অনকেইে বড় হয়ছে।ে এখন তো আমাদরে নজিস্ব অনকে বীর আছ,ে আছে নজিস্ব বীরগাথা। কথা হলো সইে সমস্ত বীরদরে ক’জনকে আমরা চনি?ি মুক্তযিুদ্ধে আমাদরে নতেৃস্থানীয় ব্যক্তদিরে ত্যাগ ও সাফল্যরে কথা পড়তে শুরু করলে মানব ইতহিাসরে উজ্জ্বল মুখগুলোর সাথে তাঁরা বশে মানানসই হয়ে ওঠনে। বাংলাভাষী সব গুণী ও মহান ব্যক্তদিরে পাশাপাশি একাত্তররে বীরদরে কথা জানতে পরেে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আস।ে
মুক্তযিুদ্ধ শুরু হবার আগে উনসত্তররে গণআন্দোলনে ছাত্রদরে ভূমকিা ছলি বশিষেভাবে উল্লখেযোগ্য। ছাত্র আন্দোলনে অংশ নওেয়া অনকেই পরর্বতীতে মুক্তযিুদ্ধে অংশ নয়িছেলি এবং দশে স্বাধীন হবার পর বাংলাদশেরে রাজনীততিে বলষ্ঠি ভূমকিা রখেছে।ে কন্তিু আমাদরে র্বতমান প্রজন্মরে অনকেইে হয়তো জানে না যে ছাত্রদরে পাশাপাশি শক্ষিকদরে মধ্যওে অনকেে জড়তি ছলিনে স্বাধীনতা সংগ্রাম।ে তাদরেই একজন শক্ষিক হলনে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়য়রে ভাইস চ্যান্সলের শ্রদ্ধয়ে আবু সাঈদ চৌধুরী। এই উপন্যাস সইে মহান ব্যক্তকিে নয়িে লখো। তনিইি ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’।
ব্রটিনেে ১৯৭১ সালে একশোটরি বশেি অ্যাকশন কমটিি ছলি। এই অ্যাকশন কমটিগিুলোর সর্মথক ও সদস্যরা নানা ভাবে বাংলাদশেরে স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রখেছেনে। প্রবাসে থকেওে স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা কাজ করছেনে এবং তাদরে মধ্যে যারা নতেৃত্ব দয়িছেনে এমন ব্যক্তদিরে নয়িে এক বা একাধকি পুস্তক লখো যায়। ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’ উপন্যাসে আছে একজন আবু সাঈদ চৌধুরীর গল্প। অন্যরা হয়তো লখিছেনে কংিবা লখিবনে অন্য কারোর কথা। কাজইে যহেতেু ইতহিাস নয়, উপন্যাস তাই স্বভাবত ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’ বইটতিে নায়ককে কন্দ্রে করে গল্প এগয়িছে।ে যা পড়লে জানা যাবে প্রবাসী বাঙালদিরে প্রশংসনীয় কাজরে গুরুত্বর্পূণ অনকে ঘটনা।
‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’ পড়ার পর কউে যদি মনে করনে, দশে থকেে হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থান কর,ে বরৈি আবহাওয়া ও পরবিশেরে মধ্যে থকেওে যসেমস্ত ব্যক্তি বাংলাদশেরে স্বাধীনতা সংগ্রামরে জন্য লড়াই করছেনে তারাও স্বাধীনতার বীর সনৈকি তবইে ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’ লখো র্সাথক হয়ছেে বললনে বইটরি লখেক আকতার হোসনে।
প্রবাসে স্বাধীনতা আন্দোলন চালয়িে যতেে আবু সাঈদ চৌধুরী যাদরে সাথে কথা বলতনে বা দখো করছেলিনে তাঁদরে অধকিাংশ মানুষই দায়ত্বিশীল পদে অধষ্ঠিতি ছলি এবং এদরে ছলি সদ্ধিান্ত নবোর ক্ষমতা, অথবা সমর্পযায়রে অন্য প্রতষ্ঠিানরে র্কতাব্যক্তদিরে প্রভাবতি করার যোগ্যতা। তাই আবু সাঈদ চৌধুরীর মাধ্যমে বাংলাদশেরে স্বাধীনতা সংগ্রামরে কথা ছড়য়িে যতেে শুরু করে স্বল্পতম সময়রে মধ্য।ে যুদ্ধকালীন নয় মাসে পাকস্তিানীদরে দ্বারা দখলকৃত বাংলাদশেরে কোথাও বঙ্গবন্ধুর ছবি দখো যতে না। বঙ্গবন্ধুর ছবি রাখা মানে নর্ঘিাত বুলটেরে আঘাতে মৃত্যু। অথচ সইে সময় বশ্বিরে পথঘোটে বঙ্গবন্ধুর ছবি হাতে নয়িে মছিলি মটিংি করছেে প্রবাসীরা। এ কথা সবাই মাননে য,ে জাতরি পতিাকে বন্দীদশা থকেে মুক্ত করতে না পারলে আমাদরে বজিয়রে সাধ অসর্ম্পূণ থকেে যতেো। তাই তাঁকে মুক্ত করতে প্রবাসীদরে ভূমকিা জানা অপরহর্িায। প্রবাসীদরে সাথে নয়িে আবু সাঈদ চৌধুরী দশেরে জন্য যে অবদান রখেছেনে তা আমাদরে গৌরবরে অংশ। আশা করা যাচ্ছে ‘মস্টিার প্রসেডিন্টে’ পড়লে বুঝা যাবে প্রবাসীদরে র্কম দক্ষতায় কভিাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠছেলি বাংলাদশেরে স্বাধীনতা সংগ্রামরে চুম্বক অংশ, মুক্তযিুদ্ধ।
বইটি সর্ম্পকে বস্তিারতি জানতে চোখ রাখুন ফসেবুক পজে;  @MrPresidentNovel

Comments