শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ৩:২৭ am

লকডাউনের মধ্যেই বিদ্যালয়ে ফিরতে হচ্ছে কর্মীদের

লকডাউনের মধ্যেই বিদ্যালয়ে ফিরতে হচ্ছে কর্মীদের

অন্টারিওর শিক্ষাখাতের হাজারো কর্মীকে লকডাউনের মধ্যেই আগামী সপ্তাহে বিদ্যালয়ে ফিরতে হচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়ন। কারণ হিসেবে তারা বলছে, কাজে ফিরলেও পর্যাপ্ত চাইল্ড কেয়ার সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। 

কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে ৪ থেকে ৮ জানুয়ারি এলিমেন্টারি স্কুলগুলোতে দূর শিক্ষণ পদ্ধতি চালু থাকবে। শিক্ষার্থীদের এ সময় অনলাইনে পাঠদান করা হলেও কাস্টোডিয়াল, মেইনটেন্যান্স ও ক্লারিক্যাল স্টাফদের সশরীরে বিদ্যালয়ে হাজির হতে হবে।

শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে কানাডিয়ান ইউনিয়ন অব পাবলিক এমপ্লয়িজ। তাদের মতে, আগামী সপ্তাহে কাজে ফেরা কর্মীদের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মা-বাবা রয়েছেন, যাদের চাইল্ড কেয়ার সেবা গ্রহণের সুযোগ নেই।

ইউনিয়নের অন্টারিও বোর্ড কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট লরা ওয়াল্টন বলেন, এসব কর্মীর জন্য চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের প্রয়োজন। কিন্তু তাদের পাঁচ বছর বয়সী সন্তানদের জন্য এ ধরনের সুবিধা নেই। তাহলে কীভাবে তারা বিদ্যালয়ে ফিরবেন? প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে তাদের উদ্বেগের কথা আমাদের শুনতে হচ্ছে।

সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, চাইল্ড কেয়ার সেবা পাওয়া যাবে। তবে এলিমেন্টারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের দূর শিক্ষাদনকালে এটি বন্ধ থাকবে। এক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমও আছে। যেমন অত্যাবশ্যকীয় সেবা খাতের কর্মীরা জরুরি চাইল্ড কেয়ার সেবা পাবেন। তাই শিক্ষাখাতের কর্মীদেরও এ সুবিধার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ইউনিয়ন। বিশেষ করে এক সপ্তাহের বেশি সময়ের জন্য যদি এলিমেন্টারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের বাইরে রাখা হয় সেক্ষেত্রে।

শিক্ষা মন্ত্রী স্টিফেন লিচি বলেন, প্রাথমিকভাবে ফ্রন্ট-লাইন কর্মীদের সুবিধাটি দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মীর অনেকেই ভ্যাকসিন বিতরণের সঙ্গে যুক্ত।

এদিকে সন্তানদের দেখাশোনার জন্য শিক্ষাখাতের কর্মীদের বাধ্য হয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের বা বন্ধুদের বাড়িতে ডেকে আনতে হচ্ছে। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অনেক পরিবারকে আবার জ্যেষ্ঠ সন্তানদের ওপর কনিষ্ঠ সন্তানদের দেখভালের দায়িত্ব দিতে হচ্ছে। এতে করে জ্যেষ্ঠ সন্তানের লেখাপড়ার নিশ্চিতভাবেই ক্ষতি হবে। 

 

Comments