শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ২:১০ am

শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আরও বিলম্বিত হচ্ছে



শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আরও বিলম্বিত হচ্ছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে গিয়ে পাঠ গ্রহণ আরও বিলম্বিত হচ্ছে বলে জানিয়ে দিয়েছে অন্টারিও সরকার। সোমবার বিকালে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এদিন এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে সংক্রমণের যে প্রবণতা তার মধ্যে ছুটির মৌসুমে জনগণ যাতায়াত ও কেনাকাটা বাড়িয়ে দিলে নতুন বছরে স্বাস্থ্য সেবা ও জনস্বাস্থ্য খাতের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে।
এ অবস্থায় সরকারি অর্থে পরিচালিত সব স্কুলকে ৪ জানুয়ারি শুরু হওয়া সপ্তাহ পর্যন্ত অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বলেছে অন্টারিও সরকার। উত্তর অন্টারিওর এলিমেন্টারি ও সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও জানুয়ারিতে শ্রেণিকক্ষে ফেরার সুযোগ পাচ্ছে। এ অঞ্চলের এলিমেন্টারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ১১ জানুয়ারি ও সেকেন্ডারি স্কুল পড়–য়ারা ২৫ জানুয়ারি শ্রেণিকক্ষে এসে পাঠ নিতে পারবে। যেসব শিক্ষক বাড়িতে বসে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে পারদর্শী নন, তারা এ সময় বিদ্যালয়ে এসে পড়াতে পারবেন। স্কুলের শিশু দিবাযতœ কেন্দ্রের কর্মীরাও এ সময় বিদ্যালয়ে ফিরতে পারবেন।
লকডাউনের মধ্যেও অন্টারিওতে শিশু দিবাযতœ কেন্দ্রগুলো খোলা থাকবে। তবে ৪ জানুয়ারি শুরু হওয়া সপ্তাহে খোলা থাকবে কেবল স্কুল চলাকালীন সময়ে।
সোমবার সকালে প্রকাশিত নতুন মডেলিংয়ে বলা হয়েছে, প্রদেশে সংক্রমণের সংখ্যা অব্যাহতভাবে বাড়ছে। এ অবস্থায় চার থেকে ছয় সপ্তাহের কঠোর লকডাউন দেওয়া গেলে দৈনিক সংক্রমণ এক হাজারের মধ্যে রাখা যেতে পারে।
প্রদেশের কোভিড-১৯ সায়েন্স অ্যাডভাইজরি টেবিলের কো-চেয়ার ড. অ্যাডেলস্টেইন ব্রাউন বলেন, চার সপ্তাহের নিচে লকডাউন দিলে তাতে কোনো কাজ হবে না। চার থেকে ছয় সপ্তাহের কঠোর লকডাউনই কেবল সংক্রমণের সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারে। কারণ, লকডাউনের সময়টা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Comments