Tue 22nd Sep 2020, 7:12 pm

সিনহা হত্যা মামলা: ২৩ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সিনহা হত্যা মামলা: ২৩ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন জমা

বাংলামেইল ডটকম ডেস্ক

মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যার ঘটনায় গঠিত সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান। রবিবার বিকেল ৫টার দিকে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে গণশুনানি করেছি। এতে ১১জন সাক্ষ্য দিতে নাম নিবন্ধন করলেও আমরা নয়জনের কাছ থেকে সাক্ষ্য নিয়েছি। অন্য দুজনকে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মনে হয়নি।’

মিজানুর রহমান জানান, মামলার তদন্তের স্বার্থে যেখানে যাওয়ার প্রয়োজন আমরা সব জায়গা গিয়েছি। এতে সরকারি-বেসরকারি ৬০ জনের জবানবন্দি নেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে তদন্ত কমিটি এই গণশুনানি শুরু করে। উক্ত শুনানিতে সাক্ষ্য দিতে ১১ জনের নাম নিবন্ধন করা হয়। নিবন্ধনকৃত এসব সাক্ষীর কাছ থেকে নয়জনের সাক্ষ্য নেয় তদন্ত কমিটি।

১২ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্য কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাহজাহান আলী একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এতে তিনি ৩১ জুলাই আনুমানিক রাত ১০টার দিকে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তে জন্য গণশুনানির আয়োজনের ঘোষণা দেয়।

৩ জুলাই সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন রিফাত নুর কক্সবাজার আসেন ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় একটি রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

উক্ত ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য ও পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ পুলিশ সদস্য ও ৩ সাক্ষীকে রিমান্ডে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।

 
 

Comments