Tue 22nd Sep 2020, 9:38 pm

আসলে কোথায় গিয়েছিলেন সিনহা, প্রকৃত তথ্য মিলবে মুঠোফোনেই

আসলে কোথায় গিয়েছিলেন সিনহা, প্রকৃত তথ্য মিলবে মুঠোফোনেই

বাংলামেইল ডটকম ডেস্ক

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার মৃত্যু নিয়ে নানা তথ্য আসছে গণমাধ্যমে। কেউ বলছেন প্রামাণ্যচিত্রের শুটিং শেষে ফেরার পথে চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। আবার কেউ বলছে, ইয়াবা বাণিজ্য নিয়ে টেকনাফের তৎকালীন ওসি প্রদীপের সাক্ষাৎকার নেয়ার পর ফাঁদ পেতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, ঘটনার প্রকৃত তথ্য মিলবে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার মুঠোফোন বিশ্লেষণেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবও। খবর সময় টিভি'র।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ঘটনার দিন রাতে ভ্রমণ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্রের শুটিংয়ের জন্য শামলাপুরের মারিশবুনিয়া এলাকায় পাহাড়ে উঠেন সাবেক মেজর সিনহা ও তার সহযোগী সিফাত। পাহাড়ে তাদের গতিবিধি দেখে ডাকাত ভেবে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। শুটিং শেষে রিসোর্টে ফেরার পথে বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশীর সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা।

তবে কেউ কেউ বলছেন, কক্সবাজারের ইয়াবা বাণিজ্য নিয়ে টেকনাফের তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশের সাক্ষাৎকার নেন সিনহা। সাক্ষাৎকার শেষে গাড়ি নিয়ে বাহারছড়ার দিকে রওনা দেন তারা। নিহত হওয়ার আগে চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোববার বাগানবাড়িতে দীর্ঘসময় অবস্থান করেন সিনহা ও তার সহযোগী সিফাত। ঘটনার দিন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা আসলে কোথায় গিয়েছিলেন?

প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এ তথ্য সিনহার মুঠোফোনেই রয়েছে। তারা বলছেন, মুঠোফোন অন করার সাথে সাথে সেটে থাকা সিম তিন থেকে চারটি টাওয়ারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। ফলে ফোন ট্র্যাক করলে ব্যবহারকারীর অবস্থান, গতিবিধি জানা যায়। প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ বলেন, গুগল কিন্তু জানে কে কোথায় আছে। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করলে সহজেই বের করা সম্ভব।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতের বক্তব্য গ্রহণের পাশাপাশি সিনহার মোবাইল ট্র্যাকিং করার কথা জানালেন র‌্যাবের মুখপাত্র।

র‍্যাব পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, কেবল মোবাইল ট্র্যাকিং নয়, সকলের সব রকমের প্রযুক্তিগত যেসব বিষয় আছে, সেগুলো সব যাচাই-বাছাই করতে হবে।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

 

Comments