Sat 4th Apr 2020, 5:25 am

যতদূর সম্ভব ঘরে থাকবেন : প্রধানমন্ত্রী

যতদূর সম্ভব ঘরে থাকবেন : প্রধানমন্ত্রী

বাংলামেইল ডটকম ডেস্ক

জনসমাগম হয় এমন সব অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের স্বাধীনতা দিবসও ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে বলে জানান তিনি। বুধবার (২৫ মার্চ) স্বাধীনতা দিবস ও করোনার সংক্রমণ রোধে জনসাধারণের করনীয় সম্পর্কে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই অনুরোধ জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কয়েকটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সহজ হবে। ঘনঘন সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। হাঁচি-কাশি দিতে হলে রুমাল বা টিস্যু পেপার দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে নিবেন। যেখানে-সেখানে কফ-থুথু ফেলবেন না। করমর্দন বা কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন। যতদূর সম্ভব ঘরে থাকবেন। অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘বাইরে জরুরি কাজ সেরে বাড়িতে থাকুন। মুসলমান ভাইয়েরা ঘরেই নামাজ আদায় করুন এবং অন্যান্য ধর্মের ভাইবোনদেরও ঘরে বসে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এবারের স্বাধীনতা দিবস এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গোটা বিশ্ব এখন বিপর্যস্ত। ধনী বা দরিদ্র, উন্নত বা উন্নয়নশীল, ছোট বা বড় সব দেশই আজ কমবেশি নভেল করোনা নামক এক ভয়ঙ্কর ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত। আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশও এ সংক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আমরা এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ভিন্নভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জনসমাগম হয় এমন ধরনের সব অনুষ্ঠানের আয়োজন থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সকল জেলায় শিশু সমাবেশ ইতোমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই কারণে আমরা মুজিববর্ষের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জনসমাগম না করে টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচার করেছি।

এদিকে এ বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠান এবং বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানও স্থগিত করা হয়েছে।

Comments